হ্যাকিং শিক্ষার জন্য কিছু জিজ্ঞাসা-BTtutorial

প্রত্যেক দিন ফেসবুক এ অনেক এর
সাথে কথা হয় কেউ পরিচিত কেউ বা অপরিচিত ।
বিভিন্ন বয়স আর বিভিন্ন পেশার মানুষ এর
সাথে । সবার একটাই অনূরোধ থাকে বা আক্ষেপ
থাকে বা প্রশ্ন থাকে – ” ভাই আমি হ্যাকার
হতে চাই কি ভাবে হবো ?
আপনি কি আমাকে শিখাবেন ?
বা আমি শিখবো রাস্তা টা দেখান । কেউ
তোঁ শিখাতে চায় না । ”
আরও অনেক অনেক প্রশ্নর সম্মুখীন হতে হয়
আমাকে । আসলে আমি নিজে হ্যাকার নই
তবে হ্যাকার দের সাথে মিশার সুজুগ হওয়ায় খুব
কাছে থেকে তাদের স্বভাব,চিন্তা ধারা,তাদের
কাজ করার কৌশল অনেক কিছুর সাথে পরিচিত ।
সেই সুবাধে অনেক সময় টুক টাক তাদের
আওড়ান কথা অন্নকে বলি ।
যদি আপনি গুগলি তে সার্চ করেন how can i
become a professional hacker ?
তাহলে আপনি About 7,540,000 results (0.34
seconds) ফলাফল আপনার চোখের
সামনে দেখতে পারবেন ।
হ্যাঁ সবার মত আমিও
বলছি হ্যাকিং যদি শিখতে হয়
তাহলে গুগলি হচ্ছে আপনার পাঠশালা । এই
গুগলিই আপনাকে দিতে পারে হ্যাকিং জগত এ
প্রবেশ এর সঠিক রাস্তার ঠিকানা । তাই সবার
আগে যা প্রয়োজন টা হোল এই গুগলিকে ১০০
ভাগ সঠিক ভাবে ব্যাবহার করে আপনি আপনার
কাঙ্ক্ষিত হ্যাকিং জগত এর সন্ধান লাভ
করতে পারেন। গুগলির ব্যাবহার
নিয়ে আমরা আজকে আলোচনা করবো না ।
গুগলি এমন এক বিষয় যেটা নিয়ে একটা লিখায়
কিছুই বুঝানো সম্ভব নয় তাই
আমরা ফিরে যাচ্ছি আমাদের মুল আলোচনায় ।
একজন হ্যাকার হতে হলে কিছু বিশেষ বেপার
আপনাকে লক্ষ রাখতে হবে
১। হ্যাকিং এর আগপাছ সম্পর্কে জানুন ।
২। আপনাকে আগে জানতে হবে একজন হ্যাকার
হতে গেলে কি কি মৌলিক বিষয় গুল আপনার
জানা থাকা প্রয়োজন এবং বিশেষ কোন বিষয়
এর উপর আপনাকে কঠোর পরিশ্রম
করতে হবে।
৩ । আপনাকে আগে সিদ্ধান্ত
নিতে হবে আপনি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন
হার্ডওয়্যার না সফটওয়্যার ? কখনই
চিন্তা করবেন না আপনি ২ টা তেই সমান
ভাবে বিশেষজ্ঞ হবেন বা হতে হবে । তবে উভয়
বিষয় এ আপনার জ্ঞান এর প্রয়োজন
রয়েছে এই ক্ষেত্রে । কিন্তু আপনার সিদ্ধান্ত
ই আপনাকে সাহায্য
করবে আপনি কোথা থেকে শুরু করবেন ।
৪ । আপনাকে অবশ্যই প্রোগ্রামিং জানতে হবে
৫ । আপনাকে বিভিন্ন
সিকিউরিটি অপারেটিং সিস্টেম যেমন ব্যাক-
ট্রাক, কালি লিনাক্স বা বিভিন্ন হ্যাকার দের
দাড়া তৈরি লিনাক্স ডিসট্র
সম্পর্কে জানতে হবে । এছাড়াও উইন্ডোজ
এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম
সম্পর্কে জানতে হবে আপনাকে।
৬। একটা প্রফেশনাল কোর্স করতে পারেন,
কোর্স বিভিন্ন ধরণের আছে যেমন এথিকাল
হ্যাকিং অথবা ইন্টারনেট সিকিউরিটি বিষয়ক
যা কিনা আপনার এথিকাল
হ্যাকিং সম্পর্কে আপনার জ্ঞান প্রসারিত
করতে সাহায্য করবে ।
৭। আপনি নিজ থেকে জানার জন্য বিভিন্ন
হ্যাকিং বিষয়
নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পারেন
তাতে আপনি আসল বেপার
টা কি ঘটছে তা বুঝতে সক্ষম হবেন।
তবে অবশ্যই পরীক্ষা টা যেন নিজের
তৈরি করা ল্যাব এ হয় । বিনা অনুমতি তে অন্নের
উপর
পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে গেলে আপনি নিজেই
ক্ষতি গ্রস্ত হতে পারেন।
৮। হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার
সঙ্গে পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করুন
কি ভাবে পরিস্থিতি কে নিয়ন্ত্রণ
এবং কি ভাবে একটা কম্পিউটার কে হ্যাক
হওয়া থেকে প্রতিরোধ করা যায় ।
৯। নিজে নিজে আপনাকে প্রচুর
পড়াশুনা করতে হবে বিভিন্ন বিষয় এর উপর ।
তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিনিয়ত প্রবর্তন ঘটছে এর
সাথে নিজেকে তাল মিলয়ে চলতে হলে আপনার
পড়াশুনার অভ্যাস এর বিকল্প নেই ।
পড়াশুনা সধু মাত্র তথ্য প্রজুক্তিই নয় আপনার
পারিপাস্সিক বিভিন্ন বিষয় যা আপনার চিন্তা ও
বুজার ক্ষমতা সহ জ্ঞান এর পরিধি বিভিন্ন
বিষয় এর উপর একটা বিশেষ
পরিপক্বতা নিয়ে আশে।
.১০ । প্রচুর ধর্য শক্তির প্রয়োজন যার জন্য
আপনাকে সব সময় শান্ত এবং ধর্য শিল
হওয়া শিখতে হবে ।
১১ । সর্ব পরি আপনার মস্তিস্ক কে ১০০ ভাগ
ব্যাবহার করার চেষ্টা করতে হবে ।
চিন্তা শক্তি ও বিশ্লেষণ করার
ক্ষমতা বারাতে হবে।যে কোন বিষয় নজর এ
এলে প্রথমে সম্ভাব্য প্রতিটা ভবিষ্যৎ
ফলাফল কি হতে পারে টা নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ
করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
১২। বিভিন্ন অনলাইন হ্যাকিং ফোরাম
এবং হ্যাকিং কমুউনিটির সাথে সম্পৃক্ত হন
তাদের বিভিন্ন হ্যাকিং প্রশিক্ষণ
থেকে আপনি হ্যাকিং এর দিক নির্দেশনা পাবেন
যা আপনার হ্যাকিং শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশাল
ভুমিকা রাখতে পারে।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s