“Bloody Hacker” Song lyrics and Download

Girl am a hacker
O yea hacker
I will hack your mind
I will hack your heart
Coz
Am bloody bloody hacker
Bloody bloody hacker
O yeah bloody bloody hacker
Am a bloody bloody hacker
I will remove your boyfriend from your mind
I will remove your love for your boyfriend
from your heart
I will make him your ex
Coz
Am a bloody bloody hacker
Bloody bloody hacker
O yeah bloody bloody hacker
Am a bloody bloody hacker
girls
I am hacker
Oh yeah hacker
You need to afraid of me
I will steal your heart
I Do with you all
I will see your dance
I will make you fall
I will touch your lips
Then what
I will delete me from your memory
Coz
Am bloody hacker
Am bloody bloody hacker
Bloody bloody hacker
O yeah bloody bloody hacker
Am a bloody bloody hacker
I will make a place for me in your mind
I will make a place for me in your heart
Then,you need to love me
Coz I wanna love you
You need to touch you
Coz I wanna touch you
Coz
Am a bloody bloody hacker
Bloody bloody hacker
Oh yeah bloody bloody hacker
Am a bloody bloody hacker
[ background playing ]
( I will hack your mind , I will hack your
heart, I will hack your mind, I will hack your
heart )
Am a bloody bloody hacker
Bloody bloody hacker
Oh yeah bloody bloody hacker
Am a bloody bloody hacker
.
.
.
.
Download
http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

BIOS setting factory change Default

আমাদের কম্পিউটার ক্র্যাশ করে অথবা হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের কারণে BIOS এর সেটিংস পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন
আমরা ইচ্ছে করলেই BIOS সেটিংস
পূর্বে যেরকম ডিফল্ট ছিলো, আবার
সেরকমে ফিরিয়ে আনতে পারি। এই
টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদের
দেখাবো কীভাবে তিনটি পদ্ধতিতে BIOS
সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে আনা যায়।
Bios

BIOS মেন্যু থেকে রিষ্টোর করুন
এটা সবথেকে সহজ পদ্ধতি। নীচের
ধাপগুলো লক্ষ্য করে এগিয়ে যান।
প্রথম ধাপঃ
আপনার কম্পিউটার চালু হবার সময়
উইন্ডোজের লোগো আসার মাঝের
সময়টাতে কীবোর্ডের Del, F1 or F2 বাটন চাপতে থাকুন, BIOS মেন্যু এসে যাবে। বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে Del, F1 or F2 বাটনের পার্থক্য থাকে। তবে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন কম্পিউটার চালু হবার সময়ই BIOS সেটিংসের জন্য কোন বাটন চাপতে হবে সেটা সামান্য সময়ের জন্য স্ক্রীণে দেখিয়ে দেয়া থাকে।
দ্বিতীয় ধাপঃ
BIOS সেটিংস এ ঢুকে গেলে আপনি EXIT
মেন্যুতে চলে যান।
তৃতীয় ধাপঃ
কীবোর্ডের arrow বাটন দিয়ে Load Setup
Default সিলেক্ট করুন।
Bios2
ছবিতে দেখানো হলো। তবে এটাও বিভিন্ন
ব্র্যান্ড ভেদে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু একটু
খেয়াল করলেই বুঝবেন Load Setup Default
কথাটাই ভিন্নভাবে হয়তো নির্দেশ
করা হয়েছে।
চতুর্থ ধাপঃ
এবার আপনি ENTER বাটন চেপে কনফার্ম
করুন। এসময় আপনার সামনে হয়তো YES এর
Y এবং NO এর N বাটন সিলেক্ট করার অপশন
আসবে। আপনি YES এর Y বাটন চেপে উপরে
EXIT & SAVE CHANGES সিলেক্ট করে ENTER
চেপে বের হয়ে আসুন। ব্যস হয়ে গেলো!
http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

বিশ্ব সেরা ১৬ স্মার্টফোন

বাজারে প্রচলিত নানা স্মার্টফোনের মধ্যে কোনটি সেরা, তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়তে হয় ব্যবহারকারীদের। এ বিভ্রান্তি দূর
করতে সম্প্রতি বিজনেস ইনসাইডার
প্রকাশ করেছে স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ১৬ বিশ্বসেরা মডেলের নাম।
smartPhone
১.ব্ল্যাকবেরি পাসপোর্ট
অতীতে বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন
নির্মাতা হলেও এখন সে অবস্থা নেই
ব্ল্যাকবেরির। তবে এবার
ব্ল্যাকবেরি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের
একটি স্মার্টফোন নিয়ে তাদের বাজার ও
হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের
আশা করছে। আর এ স্মার্টফোনটির
নাম ব্ল্যাকবেরি পাসপোর্ট।
তবে ব্যবহারকারীরা এ ফোনটি কেমন
পছন্দ করে তার ওপরই নির্ভর
করছে প্রতিষ্ঠানটির ভাগ্য।
মূল্য : আন্তর্জাতিক বাজারে এ
ফোনটির আনলক ভার্সনের দাম প্রায়
সাড়ে ৪৬ হাজার টাকা।
২. অ্যামাজন ফায়ার ফোন
অনলাইন বিক্রেতা অ্যামাজন ডট কমের
প্রথম স্মার্টফোনটির থ্রিডি ইফেক্ট
অনেকেরই খুব পছন্দ। তবে অন্যান্য
দিক দিয়ে ক্রেতাদের অনুভূতি গড়পড়তা।
মূল্য : মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান
এটিঅ্যান্ডটি এটি প্রায় ৩৫ হাজার
টাকায় বিক্রি করছে।
৩. নোকিয়া লুমিয়া ৮৩০
এটি স্মার্টফোনের বাজার দখলের
চেষ্টায় মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন
নোকিয়ার আরেকটি চেষ্টা। উইন্ডোজ
৮ অপারেটিং সিস্টেমচালিত
স্মার্টফোনটির ৫ ইঞ্চি স্বচ্ছ স্ক্রিন
রয়েছে।
মূল্য : মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান
এটিঅ্যান্ডটি এটি প্রায় ৩৫ হাজার
টাকায় বিক্রি করছে।
৪. এইচটিসি ওয়ান এম৮ উইন্ডোজ
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের
স্মার্টফোনের দিক দিয়ে এটি অন্যতম
সেরা। মেটাল বডি ও উইন্ডোজ ৮.১
অপারেটিং সিস্টেমযুক্ত এ
ফোনটিতে রয়েছে কর্টানা নামে ডিজিটাল
অ্যাসিস্ট্যান্ট।
মূল্য : বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এটি প্রায়
সাড়ে ৪৬ হাজার টাকায় বিক্রি করছে।
৫. স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট এজ
গ্যালাক্সি নোট এজ
অনেকটা গ্যালাক্সি নোট ৪-এর মতোই।
তবে এতে দ্বিতীয় একটি স্ক্রিন
রয়েছে সাইডে, যা ব্যবহারে অ্যাপ
চালানো আরো সহজ হবে। এ ছাড়াও
প্রধান স্ক্রিন বন্ধ থাকলে নতুন
আপডেট ও অন্য নোটিফিকেশনের তথ্য
এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
মূল্য : কমপক্ষে ৭৩ হাজার ৫২১ টাকা।
৬. আইফোন ৫এস
এক বছরের পুরনো মডেল হলেও
আইফোন ৫এস এখনও ব্যবহারকারীদের
অন্যতম পছন্দের ফোন। বিশেষ
করে আপনার যদি বড় স্মার্টফোন
পছন্দ না হয় তাহলে এটি চোখ বন্ধ
করে কিনতে পারেন।
মূল্য : প্রতিষ্ঠানভেদে ৪২ হাজার
টাকা থেকে শুরু।
৭. এলজি জি৩
এলজির অন্যতম সেরা স্মার্টফোন এই
মডেলটিতে রয়েছে অত্যন্ত পরিষ্কার
স্ক্রিন। সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি আকারের
ডিসপ্লেযুক্ত
স্মার্টফোনটি অনেকটা ফ্যাবলেটের
সঙ্গেও মিল রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড
অপারেটিং সিস্টেমের এ স্মার্টফোনটির
পাওয়ার ও ভলিউমের বাটন
রয়েছে পেছনে।
মূল্য : প্রায় ৪৬ হাজার টাকা।
৮. গুগল নেক্সাস ৫
গুগলের পরবর্তী মডেলের স্মার্টফোন
নেক্সাস ৬ বাজারে এলেও গত বছরের
মডেল নেক্সাস ৫ এখনও
ব্যবহারকারীদের প্রিয়।
এতে রয়েছে অরিজিনাল অ্যান্ড্রয়েড
অপারেটিং সিস্টেম। অর্থাৎ
এতে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি,
যা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান করে থাকে। এ
স্মার্টফোনের অন্যতম দুর্বল দিক
হলো ক্যামেরা।
মূল্য : প্রায় ২৭ হাজার টাকা।
৯. সনি এক্সপেরিয়া জেড৩
সনির ফ্লাগশিপ
স্মার্টফোনটি বাজারের অন্যতম
সেরা অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
এতে রয়েছে ঝকঝকে ৫.২ ইঞ্চি স্ক্রিন।
এ ছাড়াও পানি নিরোধক বডি ও
অসাধারণ ক্যামেরা রয়েছে এতে।
মূল্য : কমপক্ষে ৪৯ হাজার টাকা।
১০. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৫
স্যামসাংয়ের সর্বশেষ মডেলের
ফোনটি এর আগের মডেলের চেয়ে অনেক
উন্নত। এতে আগের মডেলের বিভিন্ন
অপ্রয়োজনীয় ফিচারও বাদ
দেওয়া হয়েছে। এর স্ক্রিন দারুণ স্বচ্ছ।
এতে রয়েছে অত্যন্ত উন্নতমানের
ক্যামেরা। তবে স্মার্টফোনটির
বডি প্লাস্টিকের তৈরি হওয়ায় অনেকেরই
এটি অপছন্দ।
১১. নেক্সাস ৬
গুগলের নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন
নেক্সাস ৬। এর ৫.৯ ইঞ্চি স্ক্রিন ও
অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ
অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের
দেবে স্মার্টফোন ব্যবহারের অনন্য
অভিজ্ঞতা।
মূল্য : প্রায় ৫০ হাজার টাকা।
১২. ওয়ানপ্লাস ওয়ান
সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি স্ক্রিনের
স্মার্টফোনটিতে রয়েছে দারুণ
সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের
সংমিশ্রণ। তবে চীনা এ নির্মাতার
স্মার্টফোনটি আপনি ইচ্ছে করলেই
কিনতে পারবেন না। এ ফোনটির সরবরাহ
খুবই সীমিত। বর্তমানে এ
ফোনটি ব্যবহার করেন এমন
কোনো ব্যবহারকারীর আমন্ত্রণ
পেলেই কেবল ফোনটি কিনতে পারবেন
আপনি।
মূল্য : কমপক্ষে ২৩ হাজার টাকা।
১৩. মটো এক্স
বিশ্বখ্যাত মটোরোলা কোম্পানির এই
সেপ্টেম্বরে বাজারে ছাড়া স্মার্টফোনটি বাজারের
অন্যতম সেরা অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
গুগলের নেক্সাস ফোনের মতোই
এতে রয়েছে প্রায় অবিকৃত অ্যান্ড্রয়েড
অপারেটিং সিস্টেম। এর স্ক্রিন ৫.২
ইঞ্চি।
মূল্য : কমপক্ষে ৩৯ হাজার টাকা।
১৪. এইচটিসি ওয়ান (এম৮)
এইচটিসির ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন
এইচটিসি ওয়ান অনেক
ব্যবহারকারীর দৃষ্টিতেই
সেরা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন। এর
ডিজাইন যেমন অসাধারণ তেমন মেটাল
ডিজাইনের বডিওযথেষ্ট মজবুত।
এতে রয়েছে ক্যামেরার
সহযোগী একটি অতিরিক্ত সেন্সর।
ফলে প্রয়জন অনুযায়ী ছবির ফোকাস
পরিবর্তন করতে পারবেন
ব্যবহারকারীরা।
মূল্য : কমপক্ষে ৪২ হাজার টাকা।
১৫. গ্যালাক্সি নোট ৪
স্যামসাং নির্মিত গ্যালাক্সি নোট
তাদের সেরা স্মার্টফোন। ৫.৭
ইঞ্চি স্ক্রিনের ফোনটিতে রয়েছে সবচেয়ে স্বচ্ছ
স্ক্রিন। এর কিনারগুলো নির্মিত
হয়েছে ধাতব পদার্থ ব্যবহার করে।
ফলে আগের ভার্সনের তুলনায়
এটি ব্যবহারকারীদের স্বস্তি দেয়।
ফ্যাবলেটের আকারে কোনো স্মার্টফোন
কিনতে চাইলে এর জুড়ি নেই।
মূল্য : কমপক্ষে ৫৮ হাজার টাকা।
১৬. আইফোন সিক্স প্লাস
আপনি যদি অ্যাপলের আইওএস
অপারেটিং সিস্টেম ও ফ্যাবলেট
একত্রে কিনতে চান তাহলে এর
জুড়ি নেই। অন্য ফ্যাবলেটের তুলনায় এর
ধাতব বডি ব্যবহারকারীদের
অনেকখানি স্বস্তি দেয়।
মূল্য : কমপক্ষে ৫৮ হাজার টাকা।
http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

অ্যানোনিমাস এর ইতিহাস

BTtutorial
বর্তমানে ভার্চুয়াল দুনিয়ার ত্রাস বিশ্বের
একমাত্র মুখোশধারী এবং বিশ্বের এক নম্বর
হ্যাকিং দলের নাম ‘অ্যানোনিমাস’। শাব্দিক
অর্থে অ্যানোনিমাস মানে পরিচয়হীন। অর্থাৎ
যা কিছুর পরিচয় গোপন, সেটিই অ্যানোনিমাস।
যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের দাপুটে সব দেশের
ভার্চুয়াল নিরাপত্তা ভেঙে আতঙ্কের নাম
হয়ে উঠেছে অ্যানোনিমাস। অ্যানোনিমাস কারও
কাছে ভার্চুয়াল বিপ্লবী সংগঠন, কারও সাক্ষাৎ
আতঙ্ক! অ্যানোনিমাস
নামধারী সংগঠনটিতে আছে কারা?
১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে অ্যানোনিমাস।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামব্রিজের ম্যাসাচুসেটস
ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির [এমআইটি] তিন
বন্ধু ক্রিস্টোফার ডয়ন, রিচার্ড স্টলম্যান
এবং মাইকেল প্যাটন মিলে ‘দ্য টেক মডেল
রেইলরোড ক্লাব’ নামক কম্পিউটার চালু করেন।
এই গ্রুপটিই পরবর্তী সময়ে কম্পিউটার ক্লাব
থেকে হ্যাকিং গ্রুপে রূপান্তরিত হয়। তারা খেলার
ছলে ভিডিওগেম হ্যাক করত, ক্যাম্পাসের
কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা হ্যাক
করে বাড়িয়ে নিত। তবে ধীরে ধীরে সংগঠনটির
সদস্য সংখ্যা বাড়তে থাকে। এমআইটির দক্ষ
গ্রোগ্রামাররা ক্লাবটিতে যোগ দেন। ২০০৩
সালের ১ অক্টোবর তারা ফোরচ্যান ডট কম
নামক একটি ওয়েবসাইট চালু করেন।
ফোরচ্যানের বিশেষত্ব ছিল, এখানে সবাই
নিজের পরিচয় গোপন রেখে যে কোনো কিছু
প্রকাশ করতে পারতেন। সেখানে তারা বিভিন্ন
কার্টুন ছবি তৈরি করে পোস্ট করতের।
কার্টুনগুলো ছিল তৎকালীন সমসাময়িক
আমেরিকান জীবনযাত্রার ধরন, সামাজিক ও
রাজনৈতিক পরিস্থিতি এসবকে ব্যঙ্গ করে।
যেটি বর্তমানে ট্রোল
হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত, সেই ট্রোলের শুরু
হয়েছিল তাদের হাত ধরেই। ফোরচ্যান জনপ্রিয়
হতে শুরু করে। ২০০৭ সালের
মাঝামাঝিতে ফোরচ্যান
থেকে তারা ধীরে ধীরে দুর্নীতির প্রতিবাদ
করতে বড় পর্যায়ের হ্যাকিংয়ে নেমে পড়েন।
সর্বপ্রথম তারা এমআইটির ওয়েবসাইট হ্যাক
করে সেখানে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার
কথা লিখে রাখেন। এরপর তাদের প্রতিবাদ
হতে থাকে আরও বৃহৎ উপায়ে। ২০০৮ সালের ১৪
জানুয়ারি ইউটিউবে ‘চার্চ অব সায়েন্টোলজি’
প্রোগ্রামের একটি ভিডিও লিক হয়,
যেখানে অভিনেতা টম ত্রুক্রজ ফোরচ্যান
ফোরাম নিয়ে ব্যঙ্গ করেছে। এর পরপরই ২১
জানুয়ারি টম ত্রুক্রজের ভিডিওটি সরিয়ে ফেলার
নির্দেশ করে ‘মেসেজ টু সায়েন্টোলজি’
নামে পরিচয়বিহীন একটি ভিডিও
ইউটিউবে প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমেই শুরু হয়
প্রোজেক্ট চ্যান্টোলজি। এরপর ১০
ফেব্রুয়ারি তারা ডিডিওএস অ্যাটাকের
মাধ্যমে চার্চ অব সায়েন্টোলজির অফিসিয়াল
ওয়েবসাইট ডাউন করে দেয়। সেই সময়
থেকে অ্যানোনিমাস নামটি গ্রুপের নাম
হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করেন তারা। ‘ভি ফর
ভেনডাটা’ নামক আলোচিত হলিউড চলচ্চিত্রের
প্রধান চরিত্র গায় ফক্সের পরিধানকৃত
মুখোশটি ব্যবহার শুরু করে অ্যানোনিমাস।
গ্রুপের সদস্যরা হ্যাকটিভিস্ট
হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। হ্যাকটিভিস্ট
শব্দটি হ্যাকার এবং অ্যাক্টিভিস্ট শব্দের
মিশ্রণে তৈরি। এর অর্থ, যারা বিনা কারণে হ্যাক
করে না, প্রতিবাদের অস্ত্র
হিসেবে হ্যাকিং করে থাকে।
আস্তে আস্তে বিভিন্ন দেশে তাদের সদস্য
সংখ্যা তৈরি হতে থাকে। তখন অ্যানোনিমাস
আন্তর্জাতিক অর্থাৎ বহির্বিশ্বের
দুর্নীতিপরায়ণ দেশগুলোর সরকারের ব্যাপারেও
পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। অ্যানোনিমাস
অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ইন্টারনেট
নিয়ে পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ‘অপারেশন
ডিজরাইডি’ পরিচালনা করে। তারা প্রতিবাদস্বরূপ
প্রধানমন্ত্রী কেভিন রাডের ওয়েবসাইটটি প্রায়
এক ঘণ্টার জন্য অচল করে ফেলে।
পরবর্তী সময়ে ২০১০ সালে তারা ‘অপারেশন
টিটস্ট্রোম’, ‘অপারেশন পেব্যাক’ থেকে শুরু
করে উইকিলিকসের ফান্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার
প্রতিবাদে বেশ বড় বড় অপারেশন চালায়। এ সময়
তারা অস্ট্রেলিয়ান সরকারি ওয়েবসাইট,
আমেরিকার মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন,
রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, ইন্ডিয়ান
সফটওয়্যার ফার্ম, বিভিন্ন ফাইল
শেয়ারিং সাইটসহ আরও বিভিন্ন সাইটে সাইবার
আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণেরই পরবর্তী অংশ
হিসেবে তারা মাস্টারকার্ড, ভিসা, ব্যাংক অব
আমেরিকা এবং অ্যামাজনে সাইবার আক্রমণ
করে। ওই সময় মাস্টারকার্ড এবং ভিসা দিয়ে সব
ধরনের লেনদেন বন্ধ হয়ে পড়ে। এরপর ২০১১
সালে অ্যানোনিমাস আরব বসন্ত,
এইচবিগ্রে ফেডারেল, জিওহট
এবং ওয়ালস্ট্রিটের
বিষয়গুলো নজরে আনে এবং এই
উপলক্ষে তারা তিউনেশিয়া এবং মিশরের
সরকারি ওয়েবসাইটগুলো, সনি প্লে স্টেশন
নেটওয়ার্ক এবং এইচবিগ্রের অফিসিয়াল
ওয়েবসাইটে সাইবার আক্রমণ চালিয়ে নষ্ট
করে দেয়। এমনকি ২০১১ সালে বাংলাদেশ
সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান
নিয়ে তারা বাংলাদেশি সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতে ব্যাপকহারে আক্রমণ
চালায়। এভাবে ধীরে ধীরে সব
দেশে তারা নিজেদের ভার্চুয়াল ক্ষমতায় দুর্নীতি,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতি এমন যে,
যে কোনো দেশে বড় কোনো অন্যায়
বা দুর্নীতি দেখা দিলে সেখানে অ্যানোনিমাস
হ্যাকার টিমের আক্রমণ সুনিশ্চিত। দুর্নীতির
বিরুদ্ধে প্রতি বছর ৫ নভেম্বর অ্যানোনিমাস
সারাবিশ্ব থেকে ‘মিলিয়ন মাস্ক মার্চ’ বের করে।
প্রতি বছর এই দিনেও তারা বড় বড় সাইবার
আক্রমণ পরিচালনা করে। প্রতিবাদের হাতিয়ার
যে হ্যাকিং হতে পারে তা দেখিয়ে দিয়েছে বিশ্বসেরা হ্যাকার
সংগঠনটি।
Don'tForget

http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

searchfeed

সূত্র :BTtutorial

Wordpress

ছাগল দিয়ে যেমন কোন হাল চাষ করা যায়
না তেমন সরকারী ৩ দিন, ৭ দিন, ১ মাস, ৩ মাস এর
ট্রেনিং করে অথবা কোন সেমিনার এ গিয়ে ৪
ঘণ্টায় , ৬ ঘন্টায় ফ্রীল্যান্সার হওয়া যায় না।
প্রথম আলো জবস এইরকম
একটা ট্রেনিং নিচ্ছে যেখানে ২ দিনের ট্রেনিং এ
ফ্রীল্যান্সার বানাচ্ছে। যায় হোক ফ্রীল্যান্সার
হওয়ার ধাপ গুলা আবার বলিতেছি। এই জন্য
আপনাকে মোটামুটী ৪ বছর হাতে নিয়ে নামতে হবে।
১। প্রথমেই আপনাকে আপনার
পড়ালেখা চুকিয়ে ফেলতে হবে।
মানে ফ্রীল্যান্সিং হওয়ার চিন্তা ভাবনা করার
পরে একাডেমিক সকল চিন্তা বাদ দিতে হবে। এই
জন্য
আমি মনে করি ডিপ্লোমা তে যারা পরতেছেন
ডীপ্লোমা শেষ করে আসুন। অথবা অনার্স শেষ
করে আসুন। আর যারা HSC পর্যন্ত
পড়ালেখা করে আর পড়ার চিন্তা করতেছেন
না তারা আসুন।
২। আপনার মাথায় ঘেলু বলতে যে পদার্থ
আছে সেটা হাল্কা বেশী থাকতে হবে।
৩। ইংলিশ পড়া, বুঝা, লেখা ও বলার
দক্ষতা থাকতে হবে। মানে IELTS এ ৬ পাওয়ার
সমমান ইংলিশ স্কিল থাকতে হবে। IELTS
না দিলেও হবে তবে এইরকম স্কিল থক্তে হবে।
৪। এর পর নিজের গুগল রিসার্স করার
খমতা থাকতে হবে। টুক টাক বিষয়
নিয়ে কাউকে প্রশ্ন না করে গুগলকে প্রশ্ন
করে উত্তর বের করার খমতা থাকতে হবে।
৫। এর পর মার্কেট প্লেস
গুলোতে ঘুরে ঘুরে বর্তমান কাজের
অবস্থা জানতে হবে।
৬। এর পর যেই কাজ ভালো লাগে সেই কাজ
নিয়ে পড়ালেখা শুরু করতে হবে। যেমন মার্কেটিং,
ডিজাইন, প্রগ্রামিং। সেটাই ভালো লাগে সেটাই
শুরু করতে হবে। কোন সিনিয়র এর
কাছে জিজ্ঞেস করা যাবেনা। ভাই
কোনটা নিলে ভালো হয়? এই কোয়েশ্চেন
করা মানেই বুঝতে হবে আপনার দ্বারা হবেনা।
আপনার ভালোলাগা যেটা সেটাতেই করতে হবে।
এইখানে জোর করে আপনার উপর
চাপিয়ে দেওয়ার মত কিছুই না।
৭। এর পর অনলাইনে সেই বিষয়ে টেক্সট
টিউটোরিয়াল, ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখা শেষ
করতে হবে।
৮। এর পর কোন ভালো কোচিং সেন্টারে গিয়ে ঐ
বিষয়ে ট্রেনিং নিতে হবে।
ক্লাসে যা পড়ানো হবে তা খুব
ভালো ভাবে প্রাট্রিক্স করতে হবে।
৯। কোর্স শেষ করে আপনাকে কোন
কোম্পানি বা ভালো ফ্রীল্যান্সার এর
অধিনা অন্তত ৬ মাস ইন্টারনি করতে হবে।
ইন্টারনি করার সময় আপনি বেতন পাবেন না।
তবে সেখানেই ইন্টারনি করবেন যেখানে কাজ
শেখার পরিবেশ আছে। যেখানে সিনিয়র নাই
বা কাজ শেখার পরিবেশ নাই অথবা যেখানে সিনিয়র
আছে কিন্তু হেল্পফুল মাইন্ডের না সেখানে কোন
ইন্টারনি করলে হবেনা।
১০। এর পর কোন কোম্পানিতে জুনিয়র
হিসাবে জয়েন করতে হবে। সেখানে অন্তত ১ বছর
কাজ করতে হবে।
১১। এর পর মিড লেভেল ডেভলপার হিসাবে অন্তত
১ বছর কাজ করতে হবে।
১২। ১ বছর কাজ করার পরে এর পর মার্কেট
প্লেসে একাউন্ট খুলে সব
পরিক্ষা দিয়ে ফেলতে হবে।
১৩। এর পর ৬ মাস জব করার
পাশাপাশি ফ্রীল্যান্সিং করতে হবে। এই সময়
যদি ক্লাইন্টের সাথে কমিউনিকেশন
না করতে পারেন, ক্লাইন্টের রিকোয়ারমেন্ট
না বুঝেন
তাহলে বুঝতে হবে আপনি এখোনো ম্যাচিউর না।
আরো ২ বছর কাজ করতে হবে। এর আর সাক্সেস
হইলে ভাব্বেন আপনি ফ্রীল্যান্সার হওয়ার জন্য
রেডি।
১৪। এর পরে জব ছেরে দিয়ে ফ্রীল্যান্সিং শুরু
করতে হবে।
এই পুরো প্রক্রিয়াতে ৪ বছর সময় লাগবে।
এই স্টাটাস দেওয়ার পরে হাজারো পুলাপান
আমাকে ম্যাসেজ দিবে ভাই আমি কি পারবো? ভাই
আমি অমুক পাশ আমি কি ফ্রীল্যান্সিং শুরু
করতে পারবো? ভাই কোন কাজ
করলে ভালো হয়? কোন কাজের ডিমাণ্ড কত?
ভাই কিভাবে শুরু করবো? ভাই আপনার ইঙ্কাম
কত? ইত্যাদি। তো যারাই এই টাইপের কোয়েশ্চেন
করবে তারাই ফ্রীল্যান্সিং পারবেনা।
যারা নিজে নিজে উপরের প্রসিডিউর
ফলো করে কাজ করবে তারাই পারবে। Www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

Facebook Magic Code

Blue comment
@@*[1:[0:1:Your Text]]
Blank comment
@*[0:]
Name mention
@*[idno:]
ARROW
[*[518743568233542]]
EYES
[*[380422205397255]]
LINES
[*[180260102152722]]
[*[192236564308411]]
[*[f9.party]]
[[*10150187295290422]]
LIKE
[*[379083068864502]]
(*Y)Greenlike
[*[greenylike]]
[[*f9.cash]]
[[*f9.coffee1]]
[[*f9.cry]]
[[*f9.dull]]
[[*f9.punch]]
[[*f9.rain1]]
[[*f9.redflower1]]
[[*f9.rofl1]]
[[*f9.think]]
like unlike codes
*[[185136428331756]]
*[[185136504998415]]
*[[185136621665070]]
*[[185136741665058]]
*[[185136934998372]]
*[[185137038331695]]
*[[185137114998354]]
*[[185137224998343]]
*[[185201241658608]]
*[[185206241658108]]
*[[185206391658093]]
*[[185206591658073]]
*[[185206741658058]]
*[[185206828324716]]
*[[185206981658034]]
*[[185207171658015]]
*[[185207254991340]]
*[[185207358324663]]
*[[185207474991318]]
*[[185207618324637]]
*[[185214564990609]]
*[[185136231665109]]
*[[185136351665097]]
*[[185214564990609]]
*[[185136231665109]]
[*[red]]
[*[blue]]
[*[black]]
[*[green]]
[*[yello]]
[*[pink]]
[*[white]]
[*[king]]
[*[red]]
[*[rock]]
[[*indiaflag]]
[[angrybirds*]]
[[airtel*]]
[[vodafone*]]
[[idea*]]
[[Gmail*]]
[[Google*]]
[[Yahoo*]]
[[Facebook*]]
[[whatsapp*]]
[[Skype*]]
[[Opera*]]
[[Mozilla*]]
[[Nokia*]]
[[HTC*]]
[[Sony*]]
[[Apple*]]
Remove * And Comment
http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

12 Simple Steps To Become A Hacker

Hacking is an engaging field but it is surely
not easy. To become a hacker one has to
have an attitude and curiosity of learning and
adapting new skills. You must have a deep
knowledge of computer systems,
programming languages, operating systems
and the journey of learning goes on and on.
Some people think that a hacker is always a
criminal and do illegal activities but they are
wrong. Actually many big companies hire
hackers to protect their systems and
information and are highly paid. We have
prepared a list of 12 most important steps
necessary to become a hacker, have a deeper
look
Full Version
1. Learn UNIX/LINUX
linux operating system
UNIX/LINUX is an open source operating
system which provides better security to
computer systems. It was first developed by
AT&T in Bell labs and contributed a lot in the
world of security. You should install LINUX
freely available open source versions on your
desktops as without learning UNIX/LINUX, it
is not possible to become a hacker.
Start Learning Linux
2. Code in C language
c programming
C programming is the base of learning UNIX/
LINUX as this operating system is coded in C
programming which makes it the most
powerful language as compared to other
programming languages. C language was
developed by Dennis Ritchie in late 1970’s. To
become a hacker you should master C
language.
3. Learn to code in more than one
Programming Language
programming languages
It is important for a person in the hacking
field to learn more than one programming.
There are many programming languages to
learn such as Python, JAVA, C++. Free eBooks,
tutorials are easily available online.
Top 6 Websites To Learn Computer
Programming Languages
4. Learn Networking Concepts
computer networking
Another important and essential step to
become a hacker is to be good at networking
concepts and understanding how the
networks are created. You need to know the
differences between different types of
networks and must have a clear
understanding of TCP/ IP and UDP to exploit
vulnerabilities (loop holes) in system.
Understanding what LAN, WAN, VPN, Firewall
is also important.
You must have a clear understanding and use
of network tools such as Wireshark, NMAP for
packet analyzing, network scanning etc.
5. Learn More Than One Operating Systems
operating system
It is essential for a hacker to learn more than
one operating system. There are many other
Operating systems apart from Windows,
UNIX/LINUX etc. Every system has a loop hole,
hacker needs it to exploit it.
6. Learn Cryptography
cryptography encryption
To become a successful hacker you need to
master the art of cryptography. Encryption
and Decryption are important skills in
hacking. Encryption is widely done in several
aspects of information system security in
authentication, confidentiality and integrity
of data. Information on a network is in
encrypted form such as passwords. While
hacking a system, these encrypted codes
needs to be broken, which is called
decryption.
Decrypting Window 7 Password Using
Ophcrack
7. Learn more and more about hacking
hacking or hackers
Go through various tutorials, eBooks written
by experts in the field of hacking. In the field
of hacking, learning is never ending because
security changes every day with new updates
in systems.
Hackers Underground Hand Book Completely
Free
Hacking For Begineers Free Ebook
8. Experiment A Lot
experiment
After learning some concepts, sit and practice
them. Setup your own lab for experimental
purpose. You need a good computer system
to start with as some tools may require
powerful processor, RAM etc. Keep on Testing
and learning until you breach a system.
9. Write Vulnerability (Loop hole program)
hacking vulnerability
Vulnerability is the weakness, loop hole or
open door through which you enter the
system. Look for vulnerabilities by scanning
the system, network etc. Try to write your
own and exploit the system.
6 Most Common Password Cracking Methods
And Their Countermeasures
10. Contribute To Open Source Security
Projects
open source software
An open source computer security project
helps you a lot in polishing and testing your
hacking skills. It’s not a piece of cake to get it
done. Some organizations such as MOZILLA,
APACHE offer open source projects. Contribute
and be a part of them even if your
contribution is small, it will add a big value to
your field.
11. Continue never ending Learning
learning hacking
Learning is the key to success in the world of
hacking. Continuous learning and practicing
will make you the best hacker. Keep yourself
updated about security changes and learn
about new ways to exploit systems
12. Join Discussions and meet hackers
discussion
Most important for a hacker is to make a
community or join forums, discussions with
other hackers worldwide, so that they can
exchange and share their knowledge and
work as a team. Join Facebook groups related
to hacking where you can get more from
experts. http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial
Copy formFacebook

searchfeed

গুগলে কাজ করতে ইচ্ছুক

চলুন তাহলে, দেখে নেওয়া যাক গুগলের কিছু
প্রাথমিক যোগ্যতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
১. প্রোগ্রামিং শেখা: অন্তত
একটি প্রোগ্রামিং ভাষায়
থাকতে হবে কাজে লাগানোর মত জ্ঞান।
হতে পারে সেটি পাইথন কিংবা সি,
হতে পারে সি++। অনলাইনেও এসব
প্রোগ্রামিং ভাষা শেখার অনেক সুযোগ
আছে।
২. কোড পরীক্ষা করে ত্রুটি বের করা: কেবল
কোডিং করা জানলেই চলবে না, কোড লিখার
পর সেটিকে বাস্তবে প্রয়োগ
করে সেখানে থাকা ত্রুটি বের করার ক্ষমতাও
থাকতে হবে।
৩. গণিত সম্পর্কে ধারণা: গণিতের বিভিন্ন
শাখা যেমন- বিচ্ছিন্ন গণিত
বিষয়ে থাকতে হবে কাজ চালিয়ে নেওয়ার মত
জ্ঞান। কারণ
প্রোগ্রামিং বিষয়ে রয়েছে গণিতের বিস্তর
ব্যবহার।
৪. অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করা:
অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করার আগ্রহ
থাকতে হবে। কারণ যেকোনো কাজেই
ব্যবহার করতে হবে কোন না কোন
অপারেটিং সিস্টেম।
৫. কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে ধারণা:
গুগলের অত্যন্ত পছন্দের একটি বিষয়
রোবট। আর তাই রোবট
বিষয়ে ধারণা এবং জানার আগ্রহ
থাকতে হবে।
৬. অ্যালগরিদম এবং ডেটা স্ট্রাকচার: গুগল
নানা ধরণের ডেটা টাইপ এবং ডেটা স্ট্রাকচার
নিয়ে কাজ করে। আর তাই সেখানে কাজ
করতে আগ্রহী একজন তরুণের কাছেও এই
বিষয়ে বিশদ জ্ঞান আশা করে প্রতিষ্ঠানটি।
৭. ক্রিপ্টোগ্রাফি: সাইবার
নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর তাই
গুগলে কাজ
করতে চাইলে ক্রিপ্টোগ্রাফি বিষয়ে দক্ষতা থাকা প্রয়োজন।
৮. কম্পাইলার তৈরি করা: স্ট্যানফোর্ডের
মতে, যখন আপনি একটি কম্পাইলার
তৈরি করতে পারবেন, তখন
আপনি জানতে পারবেন কিভাবে একটি হাই
লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষা লো-লেভেল
প্রোগ্রামিং ভাষায় পরিণত হয়।
৯. অন্য প্রোগ্রামিং ভাষার উপর দক্ষতা
অর্জন: আপনি যে প্রোগ্রামিং ভাষায় দক্ষ,
সেটির পাশাপাশি অন্য প্রোগ্রামিং ভাষায়
দক্ষতা অর্জন করা জরুরী, অন্তত
গুগলে চাকুরী পেতে হলে।
১০. প্যারালাল প্রোগ্রামিং:
একইসাথে একাধিক প্রোগ্রামিংয়ের কাজ
চালিয়ে নিতে পারা বাড়তি দক্ষতা হিসেবেই
বিবেচনা করা হয় গুগলে।google work place
http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

searchfeed

বুট বা C: ড্রাইভ এর সাথে অন্য কোন ড্রাইভ বা ফ্রী স্পেস অ্যাড করার নিয়ম

আমরা অনেকই জানি বুট বা C: ড্রাইভ এর
সাথে অন্য কোন ড্রাইভ বা ফ্রী স্পেস অ্যাড
করা যায়না ,
আর অ্যাড করলেও তা আর অ্যাড
হয়না বরং উইন্ডোজ কে নষ্ট করে দেয়
এবং একটা ইরর মেসেজ দেয় স্ক্রীন এ …
ছবিতে তার একটি উদাহরণ দেওয়া হলো—
তা হলে কি আমরা এই সমস্যার সমাধান
পাবোনা ??

BTtutorial
হ্যাঁ আমরা সমাধান পাবো-
যা যা করনীয় —
১। আপনার উইন্ডোজ ডিস্ক আপনার কম্পিউটার
এ প্রবেশ করাতে হবে ।
২।আপনি যে ভাবে উইন্ডোজ সেটআপ দেন ঠিক
ওই ভাবে ১ থেকে ২য় স্টেপ পর্যন্ত
এগিয়ে জেতে হবে ।
৩। Windows install / Install windows এর
নিচে আপনি দেখবেন যে Windows repair /
repair your computer নামের একটা অপশন
আছে, সেটাই যান।
৪। আপনাকে এখন windows installation
ড্রাইভার সিলেক্ট করতে বলবে, আপনি (c:\)
সিলেক্ট করবেন(usually).
৫। নেক্সট এ ক্লিক করবেন।
৬।অনেক অপশন আসতে পারে ।।
এবং আসবে লিস্ট আকারে , আপনাকে Command
Prompt সিলেক্ট করতে হবে ।
৭। এবং নিচে দেওয়া কিছু কোড লিখে এন্টার চাপ
দিলে হই যাবে ।।
[
Bootrec /fixmbr
Bootrec /fixboot
Bootrec /rebuildcd
]
সব কাজ শেষ হলে Restart দিলে দেখবনে আপনার
কম্পিউটার আবার আগের মতো ।
http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

searchfeed

একাত্তরের মা জননী

১৯ তারিখে মুক্তি পেতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘একাত্তরের মা জননী’।
ekatturer
ছবিটি পরিচালনা করেছেন শাহ আলম কিরণ।
খ্যাতিসম্পন্ন রাইটার আনিসুল হকের
‘জননী সাহসিনী ১৯৭১’ অবলম্বনে নির্মিত
হয়েছে এই ছবিটি। এর নাম ভূমিকায় অভিনয়
করেছেন এই প্রজন্মের
অভিনেত্রী চিত্রনায়িকা নিপুন। এই
ছবিটিতে তাকে দেখা যাবে তিন রূপে।
২০১২ অর্থবছরে সরকারি অনুদান প্রাপ্ত
‘একাত্তরের মা জননী’ ছবির প্রেক্ষাপট
হলো, মূলত মুক্তিযুদ্ধের আগের,
মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং মুক্তিযুদ্ধের
পরবর্তী ঘটনাবলি নিয়ে। ছবিটির শুটিং শুরু হয়
২০১৩ সালের ১৬ অগাস্ট।
ছবিটির পরিচালক শাহ আলম কিরণ বলেছেন,
‘ছবির শ্যুটিং, ডাবিং, এমনকি এডিটিংও শেষ।
এখন শুধু ফাইনাল কাটের কাজ চলছে। এর
পরপরই সেন্সর
বোর্ডে ছবিটি জমা দেওয়া হবে।’
শাহ আলম কিরণ আরও বলেন, ‘ছবিটি বিজয়
দিবসের দিন মুক্তি দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু
শুক্রবার হবার কারণে ১৯ ডিসেম্বরই
ছবিটি মুক্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আশা করছি কথা রাখতে পারবো।’
‘একাত্তরের মা জননী’ ছবিতে নিপুণ ও আগুন
ছাড়াও অভিনয় করছেন চিত্রলেখা গুহ, ম. ম.
মোর্শেদ, গুলশান আরা, রাকিব, মিশু, আবদুল
হালিম আজিজ, স্বরণ, মোরশেদ আলম,
এলিনা পারভেজ, লিখন, মাহবুব, রিমা,
ঈষিতা পায়েল, সোমা ফেরদৌস, মিমা জামান
তিথি, পৃথু, সারোয়ার আলম সৈকত, জুয়েল,
এবং সাজু মেহেদী, মনিকা, সুমাইয়া, সোহানসহ
বেশ কয়েকজন শিশুশিল্পী।
পরিচালক শাহ আলম কিরণ মনে করেন,
‘এবারের ডিসেম্বরে মুক্তিযুদ্ধের
কাহিনী নিয়ে নির্মিত এই ছবিটি ব্যবসা করবে।
আমি আশাবাদি দর্শকদের মন জয়
করতে সমর্থ হবে ‘একাত্তরের মা জননী’।’

searchfeed

http://www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial