WordPress

ছাগল দিয়ে যেমন কোন হাল চাষ করা যায়
না তেমন সরকারী ৩ দিন, ৭ দিন, ১ মাস, ৩ মাস এর
ট্রেনিং করে অথবা কোন সেমিনার এ গিয়ে ৪
ঘণ্টায় , ৬ ঘন্টায় ফ্রীল্যান্সার হওয়া যায় না।
প্রথম আলো জবস এইরকম
একটা ট্রেনিং নিচ্ছে যেখানে ২ দিনের ট্রেনিং এ
ফ্রীল্যান্সার বানাচ্ছে। যায় হোক ফ্রীল্যান্সার
হওয়ার ধাপ গুলা আবার বলিতেছি। এই জন্য
আপনাকে মোটামুটী ৪ বছর হাতে নিয়ে নামতে হবে।
১। প্রথমেই আপনাকে আপনার
পড়ালেখা চুকিয়ে ফেলতে হবে।
মানে ফ্রীল্যান্সিং হওয়ার চিন্তা ভাবনা করার
পরে একাডেমিক সকল চিন্তা বাদ দিতে হবে। এই
জন্য
আমি মনে করি ডিপ্লোমা তে যারা পরতেছেন
ডীপ্লোমা শেষ করে আসুন। অথবা অনার্স শেষ
করে আসুন। আর যারা HSC পর্যন্ত
পড়ালেখা করে আর পড়ার চিন্তা করতেছেন
না তারা আসুন।
২। আপনার মাথায় ঘেলু বলতে যে পদার্থ
আছে সেটা হাল্কা বেশী থাকতে হবে।
৩। ইংলিশ পড়া, বুঝা, লেখা ও বলার
দক্ষতা থাকতে হবে। মানে IELTS এ ৬ পাওয়ার
সমমান ইংলিশ স্কিল থাকতে হবে। IELTS
না দিলেও হবে তবে এইরকম স্কিল থক্তে হবে।
৪। এর পর নিজের গুগল রিসার্স করার
খমতা থাকতে হবে। টুক টাক বিষয়
নিয়ে কাউকে প্রশ্ন না করে গুগলকে প্রশ্ন
করে উত্তর বের করার খমতা থাকতে হবে।
৫। এর পর মার্কেট প্লেস
গুলোতে ঘুরে ঘুরে বর্তমান কাজের
অবস্থা জানতে হবে।
৬। এর পর যেই কাজ ভালো লাগে সেই কাজ
নিয়ে পড়ালেখা শুরু করতে হবে। যেমন মার্কেটিং,
ডিজাইন, প্রগ্রামিং। সেটাই ভালো লাগে সেটাই
শুরু করতে হবে। কোন সিনিয়র এর
কাছে জিজ্ঞেস করা যাবেনা। ভাই
কোনটা নিলে ভালো হয়? এই কোয়েশ্চেন
করা মানেই বুঝতে হবে আপনার দ্বারা হবেনা।
আপনার ভালোলাগা যেটা সেটাতেই করতে হবে।
এইখানে জোর করে আপনার উপর
চাপিয়ে দেওয়ার মত কিছুই না।
৭। এর পর অনলাইনে সেই বিষয়ে টেক্সট
টিউটোরিয়াল, ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখা শেষ
করতে হবে।
৮। এর পর কোন ভালো কোচিং সেন্টারে গিয়ে ঐ
বিষয়ে ট্রেনিং নিতে হবে।
ক্লাসে যা পড়ানো হবে তা খুব
ভালো ভাবে প্রাট্রিক্স করতে হবে।
৯। কোর্স শেষ করে আপনাকে কোন
কোম্পানি বা ভালো ফ্রীল্যান্সার এর
অধিনা অন্তত ৬ মাস ইন্টারনি করতে হবে।
ইন্টারনি করার সময় আপনি বেতন পাবেন না।
তবে সেখানেই ইন্টারনি করবেন যেখানে কাজ
শেখার পরিবেশ আছে। যেখানে সিনিয়র নাই
বা কাজ শেখার পরিবেশ নাই অথবা যেখানে সিনিয়র
আছে কিন্তু হেল্পফুল মাইন্ডের না সেখানে কোন
ইন্টারনি করলে হবেনা।
১০। এর পর কোন কোম্পানিতে জুনিয়র
হিসাবে জয়েন করতে হবে। সেখানে অন্তত ১ বছর
কাজ করতে হবে।
১১। এর পর মিড লেভেল ডেভলপার হিসাবে অন্তত
১ বছর কাজ করতে হবে।
১২। ১ বছর কাজ করার পরে এর পর মার্কেট
প্লেসে একাউন্ট খুলে সব
পরিক্ষা দিয়ে ফেলতে হবে।
১৩। এর পর ৬ মাস জব করার
পাশাপাশি ফ্রীল্যান্সিং করতে হবে। এই সময়
যদি ক্লাইন্টের সাথে কমিউনিকেশন
না করতে পারেন, ক্লাইন্টের রিকোয়ারমেন্ট
না বুঝেন
তাহলে বুঝতে হবে আপনি এখোনো ম্যাচিউর না।
আরো ২ বছর কাজ করতে হবে। এর আর সাক্সেস
হইলে ভাব্বেন আপনি ফ্রীল্যান্সার হওয়ার জন্য
রেডি।
১৪। এর পরে জব ছেরে দিয়ে ফ্রীল্যান্সিং শুরু
করতে হবে।
এই পুরো প্রক্রিয়াতে ৪ বছর সময় লাগবে।
এই স্টাটাস দেওয়ার পরে হাজারো পুলাপান
আমাকে ম্যাসেজ দিবে ভাই আমি কি পারবো? ভাই
আমি অমুক পাশ আমি কি ফ্রীল্যান্সিং শুরু
করতে পারবো? ভাই কোন কাজ
করলে ভালো হয়? কোন কাজের ডিমাণ্ড কত?
ভাই কিভাবে শুরু করবো? ভাই আপনার ইঙ্কাম
কত? ইত্যাদি। তো যারাই এই টাইপের কোয়েশ্চেন
করবে তারাই ফ্রীল্যান্সিং পারবেনা।
যারা নিজে নিজে উপরের প্রসিডিউর
ফলো করে কাজ করবে তারাই পারবে। Www.facebook.com/BTtutorial
http://www.twitter.com/BTtutorial

Advertisements

2 thoughts on “WordPress

  1. ভাই আপনি যেভাবে ফ্রীল্যান্সিং শিখার কথা লিখেছেন এতে করে নতুন যারা এই পেশায় আসার ইচ্ছা আছে, তারা ভয়ে আর এই কাজে আসবে না, আর আপনার হয়তো এই কাজে আসতে 4 বছর লেগেছে কিন্তু সবারতো আপনার মতো স্লো মেধার অধিকারী নয় যে 4 বছর লাগবে। বর জোর 1 বছর সময় দিলেই হয়।

    Liked by 1 person

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s